a
ফাইল ছবি
মাদক মামলায় গ্রেফতার চিত্রনায়িকা পরীমনিকে নিয়ে সারা দেশে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। গত এক সপ্তাহ ধরে সংবাদমাধ্যমে খবরের শিরোনামে ঠাঁই পেয়েছে তার নাম। এক কথায় টক অব দ্য কান্ট্রি। এদিকে পরীমনি ইস্যুতে আরো বেশ কিছু নাম জড়িয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তালিকায়।
গ্রেফতার হয়েছেন রাজ মাল্টিমিডিয়া প্রযোজনা কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা নজরুল ইসলাম রাজ। এদিকে পরীমনিকে বিলাসবহুল গাড়ি উপহার দিয়েছেন সিটি ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসরুর আরেফিন— সম্প্রতি গণমাধ্যমে এমন একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
এ সংবাদকে মিথ্যাচার বলে দাবি করেন সিটি ব্যাংকের এমডি মন্তব্য করেছেন, পরীমনিকে নিয়ে যা চলছে তা একটা রীতিমত সার্কাস।
মঙ্গলবার রাতে এমন মন্তব্য লিখে নিজের ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন মাসরুর আরেফিন।
তার দীর্ঘ স্ট্যাটাসের একটি অংশে লেখা রয়েছে, ‘আগস্ট আবছায়া’ ও ‘আন্ডারগ্রাউন্ড’ উপন্যাসের প্রধান কথা এই যে, নির্বিচার নৃশংসতা কারও ওপরেই না চলুক—দেশ নির্মাতার ওপরেও না, কোনো কবি ও কার্টুনিস্টের ওপরেও না। পরীমনিকে নিয়ে যা চলছে তা একটা রীতিমত সার্কাস, যা কিনা এভাবে চলতে থাকলে আমরা শিগগির ভাল্লুকের ডাক শিখে ফেলতে যাচ্ছি নিশ্চিত। ওই ডাকেরই ভদ্রস্থ নাম—সহিংসতা। সহিংস হয়েন না। মায়া রাখুন মানুষের প্রতি। এক নিৎশের ‘ডাক’ শুনে হিটলার হিটলার হয়েছিলেন।
পরীমনি কাণ্ডে যা দেখছি তাতে মনে হচ্ছে সবার হাতে একটা করে জীবনানন্দ দাশের ‘রূপসী বাংলা’ তুলে দিই, যাতে করে নিস্তব্ধ দুপুরে চালতে গাছের ছায়ায় দাঁড়িয়ে চিলের ‘ডাক’ শোনার কল্পনা করে আপনি মাথা ঠাণ্ডা রাখতে পারেন। ভালবাসা সবার জন্য, ব্যক্তিমানুষ পরীমনিসহ। ন্যায়বিচারই প্রাপ্য তার, আর প্রাপ্য—বিচারের আগেই ছিন্নভিন্ন না হয়ে যাওয়া। আইনের বিচারের আগেই কেউ যেন সমাজের বিচারের হাতে টুকরো না হয়ে যায়। কারণ এইটা ট্রাইবাল-নৃশংস-খুনি এক হায়েনা-গোত্রের, দাঁত ও জিভ বের করে বিকৃত নৃশংসতার প্রেমে পড়ে থাকা, ‘গ্রাম্য’ সমাজ।’
সংগৃহীত ছবি
বিয়ে করলেন ওমর সানী-মৌসুমী দম্পতির একমাত্র ছেলে ছেলে ফারদীন এহসান স্বাধীন। গত ২৬ মার্চ বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। স্বাধীনের স্ত্রী সাদিয়া রহমান আয়েশা। ছেলের বিয়ে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন ওমর সানী। তিনি বলেন, ২৬ মার্চ আমার ছেলের আকদ সম্পন্ন হয়েছে। আকদ করে আমরা বউ নিয়ে এসেছি। ওদের জন্য দোয়া করবেন।
এর আগে মৌসুমী তার ছেলে বউ সর্ম্পকে গণমাধ্যমে বলেছিলেন, স্বাধীনের বউয়ের নাম সাদিয়া রহমান আয়েশা। সে কানাডা প্রবাসী হলেও জন্মসূত্রে বাংলাদেশি। বাড়ি কুমিল্লায়, তবে পড়াশোনা আর বেড়ে ওঠা কানাডায়।
কয়েক মাস আগে স্বাধীনের সঙ্গে পরিচয় আয়েশার। পরিচয় থেকে বন্ধুত্ব, ভালো লাগা। সেই ভালো লাগার সূত্র ধরেই দুই পরিবারের অলোচনায় ঠিক হয় বিয়ের দিনক্ষণ।
ফাইল ছবি
আফগানিস্তানের পশ্চিমাঞ্চলে একের পর এক শক্তিশালী ভূমিকম্পে বহু মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। সর্বশেষ জাতিসংঘের তথ্যানুযায়ী, ৩২০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় তালেবান কর্মকর্তা ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানকে জানিয়েছেন, নিহতের সংখ্যা এর চেয়ে আরও বেশি।
তালেবান কর্মকর্তারাও বলেন, নিহতদের সংখ্যা অনেক। এখনও অনেকে ধ্বংসস্তূপের নিচে রয়েছে। আমরা মানুষকে সাহায্য করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করছি। তবে আমাদের সাহায্যের প্রয়োজন হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পে উল্লেখযোগ্য হতাহতের সম্ভাবনা রয়েছে। দুর্যোগটি ব্যাপক আকার ধারণ করতে পারে।
ইউএসজিএস ওয়েবসাইটে পোস্ট করা একটি মানচিত্রে আফগানিস্তান অঞ্চলে সাতটি ভূমিকম্পের কথা জানানো হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে হেরাত থেকে ২১.৭ মাইল উত্তর-উত্তর-পশ্চিমে ৫.৯ মাত্রার ভূমিকম্প, জিন্দাজান থেকে ২০.৫ মাইল উত্তর-উত্তর-পূর্বে ৬.৩ মাত্রার ভূমিকম্প এবং হেরাত শহর থেকে প্রায় ২৬ মাইল পশ্চিমে জিন্দাজানের ১৮ মাইল উত্তর-উত্তর-পূর্বে আরেকটি ৬.৩ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে।
হেরাত প্রদেশে ভূমিকম্পের ফুটেজে দেখা গেছে, গ্রামগুলো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। লোকজন তাদের মৃত প্রিয়জনদের ধ্বংসস্তূপ থেকে বের করে আনছে।
জিন্দাহ জান জেলার বাসিন্দা দাউদ হেরাত থেকে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, কয়েক ডজন গ্রাম পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। শত শত মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে রয়েছে। আমি আমার ৯ জন আত্মীয়ের লাশ হেরাতে নিয়ে গিয়েছি। বহু গ্রামের রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
দাউদ আরও বলেন, আমি আপনাদের বলতে পারি, আমার আত্মীয়দের গ্রামে মাত্র ৫০ জন বেঁচে আছেন। আজ সকাল পর্যন্ত সেখানে ৪০০ জনেরও বেশি মানুষ বসবাস করছিল। এখানে একটা বিপর্যয় ঘটছে। সূত্র: ইত্তেফাক